ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৭ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সৌদি আরবের সাথে ব্যবসা বানিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহবান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক Logo সিলেটে আলোচিত ফেরিওয়ালা হত্যা মামলার রায়ে এক জনের যাবজ্জীবন Logo অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল ঘোষণা চলতি সপ্তাহেই Logo সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রে থামছে না মৃত্যু !! দুই দশকে ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে Logo বাংলাদেশের উন্নয়নে ফ্রান্সের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে-এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ Logo ভ্যাপসা গরমে ব্যায়াম করতে গিয়ে ৫টি কথা মনে রাখা জরুরী Logo শেখ হাসিনা বিকেলে দেশে ফিরছেন Logo আগষ্ট মাসে সিলেটে সবচেয়ে কম আত্মহত্যার প্রবণতা ২.৫% ঘটেছে Logo সিলেটে অতিরিক্ত গরম, তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ২ Logo চাহিদা মতো বৃষ্টি হওয়াতে সিলেটে চা বাগানগুলো আশা আলো




 ‘হাট ও বাজার আইন, ২০২৩ সংসদে উঠেছে

কালের ধারা ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ১০:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩ ২৩৭ বার পঠিত
কালের ধারা ২৪, অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

 ‘হাট ও বাজার আইন, ২০২৩ সংসদে উঠেছে

হাট-বাজারের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘হাট ও বাজার আইন, ২০২৩’ সংসদে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

এর আগে, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও অধিগ্রহণ) অধ্যাদেশ, ১৯৫৯’ সংশোধন ও পরিমার্জন করে এই নতুন আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত জমি হতে দখলদারকে উচ্ছেদ করে জমির দখল হাট ও বাজারের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বুঝিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার বৃদ্ধি করে বিলে বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে। বিলে এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, হাট-বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাসহ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে ১৯৫৯ সালে প্রণীত অধ্যাদেশ রহিত করে বাংলা ভাষায় নতুন বিলটি আনা হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং স্টেক হোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

১৯৫৯ সালের হাটবাজার অধ্যাদেশে কোনো শাস্তির বিধান ছিল না। নতুন আইনে বলা হয়েছে, হাট-বাজারের সরকারি খাসজমি কেউ অবৈধভাবে দখলে রাখলে বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া হাটবাজারের খাসজমির ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে, নির্মাণের উদ্যোগ নিলে, সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, এক বছর কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।




ফেসবুকে আমরা







x

 ‘হাট ও বাজার আইন, ২০২৩ সংসদে উঠেছে

প্রকাশিত : ১০:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩
print news

 ‘হাট ও বাজার আইন, ২০২৩ সংসদে উঠেছে

হাট-বাজারের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘হাট ও বাজার আইন, ২০২৩’ সংসদে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

এর আগে, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও অধিগ্রহণ) অধ্যাদেশ, ১৯৫৯’ সংশোধন ও পরিমার্জন করে এই নতুন আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত জমি হতে দখলদারকে উচ্ছেদ করে জমির দখল হাট ও বাজারের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বুঝিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার বৃদ্ধি করে বিলে বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে। বিলে এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, হাট-বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাসহ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে ১৯৫৯ সালে প্রণীত অধ্যাদেশ রহিত করে বাংলা ভাষায় নতুন বিলটি আনা হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং স্টেক হোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

১৯৫৯ সালের হাটবাজার অধ্যাদেশে কোনো শাস্তির বিধান ছিল না। নতুন আইনে বলা হয়েছে, হাট-বাজারের সরকারি খাসজমি কেউ অবৈধভাবে দখলে রাখলে বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া হাটবাজারের খাসজমির ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে, নির্মাণের উদ্যোগ নিলে, সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, এক বছর কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।