ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




সন্ধ্যায় পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের বৈঠক

কালের ধারা ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ০২:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০২২ ২৫২ বার পঠিত
কালের ধারা ২৪, অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সন্ধ্যায় পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের বৈঠক

পবিত্র মহরম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণে সন্ধ্যায় বৈঠক করবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

বিজ্ঞাপন

দেশের আকাশে কোথাও পবিত্র মহরম মাসের চাঁদ দেখা গেলে টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানাতে অনুরোধ করা হয়। টেলিফোন নম্বর: ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭। ফ্যাক্স নম্বর: ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে পবিত্র আশুরার দিনটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য নানান ধর্মীয় ঘটনাবলির কারণে অন্যান্য ধর্ম বা আসমানি কিতাবের অনুসারীদের কাছেও এই দিনটি বিশেষভাবে মহিমান্বিত। মদিনায় হিজরত করার পর থেকেই আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নির্দেশে আশুরা উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা আশুরার দিন এবং আশুরার আগের বা পরের দিন মিলিয়ে দুই দিন রোজাসহ নফল ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকেন।




ফেসবুকে আমরা







x

সন্ধ্যায় পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের বৈঠক

প্রকাশিত : ০২:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০২২
print news

সন্ধ্যায় পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের বৈঠক

পবিত্র মহরম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণে সন্ধ্যায় বৈঠক করবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

বিজ্ঞাপন

দেশের আকাশে কোথাও পবিত্র মহরম মাসের চাঁদ দেখা গেলে টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানাতে অনুরোধ করা হয়। টেলিফোন নম্বর: ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭। ফ্যাক্স নম্বর: ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে পবিত্র আশুরার দিনটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য নানান ধর্মীয় ঘটনাবলির কারণে অন্যান্য ধর্ম বা আসমানি কিতাবের অনুসারীদের কাছেও এই দিনটি বিশেষভাবে মহিমান্বিত। মদিনায় হিজরত করার পর থেকেই আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নির্দেশে আশুরা উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা আশুরার দিন এবং আশুরার আগের বা পরের দিন মিলিয়ে দুই দিন রোজাসহ নফল ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকেন।