ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ




প্রসঙ্গঃ বাখরপুর স্কুলের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি,মোঃ-আমানউল্লাহ আমান:
  • প্রকাশিত : ১০:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১ ৬৪৩ বার পঠিত
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নেত্রকোনা প্রতিনিধি,মোঃ-আমানউল্লাহ আমান: কিছুদিন পূর্বে দুই একটি অনলাইন পত্রিকায় নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার বাখরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তি সুবিধাভোগিদের টাকা জনৈক রাজন মিয়া কর্তৃক টাকা আত্মসাৎ করার সংবাদ প্রকাশিত হলে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, প্রকৃত অর্থে কোনো আত্মসাৎ হয়নি।

দুই একজন অভিভাবকদের নম্বরে সঠিকভাবে টাকা বের করতে পারেনি রাজন মিয়া।

পরক্ষণেই ভুলটি ধরা পরার সাথে সাথেই স্থানীয় ইউপি মেম্বার উদ্যোগ নিয়েছেন সেটা মিটিমাট করে দেবার।

বিজ্ঞাপন

তার সেই উদ্যোগের সাথে কয়েকজন একমত না হয়ে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর কাজে লিপ্ত হয়ে যায়।  পত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগ কারীদের অনেকেই এই স্কুলের ছাত্র অভিভাবকই নন। যে দুই/ তিন জন অভিভাবক ছিলেন তারা সবাই তাদের সন্তানের টাকা সঠিকভাবে বুঝে পেয়েছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।

এখানে প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা সকল সুবিধাভোগীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে কে কতো টাকা পেয়েছে সে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।  তাতে অভিযোগকারীগণও টাকা বুঝে পেয়েছেন বলে জানা যায়। এক্ষেত্রে কারো কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান।

অন্যদিকে এই ঘটনার পেছনে স্কুলের এক/ দুইজন শিক্ষক কয়েকজন অভিভাবককে  উস্কে দিয়ে এই গুজব ছড়িছেন বলেও এলাকাবাসি জানান। ওই গ্রামে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে মূল বিভক্তি চলে আসছে অনেক আগে থেকেই।
আরও পড়ুন: করোনার টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের-শেখ হাসিনা




ফেসবুকে আমরা




x

প্রসঙ্গঃ বাখরপুর স্কুলের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশিত : ১০:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১
print news

নেত্রকোনা প্রতিনিধি,মোঃ-আমানউল্লাহ আমান: কিছুদিন পূর্বে দুই একটি অনলাইন পত্রিকায় নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার বাখরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তি সুবিধাভোগিদের টাকা জনৈক রাজন মিয়া কর্তৃক টাকা আত্মসাৎ করার সংবাদ প্রকাশিত হলে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, প্রকৃত অর্থে কোনো আত্মসাৎ হয়নি।

দুই একজন অভিভাবকদের নম্বরে সঠিকভাবে টাকা বের করতে পারেনি রাজন মিয়া।

পরক্ষণেই ভুলটি ধরা পরার সাথে সাথেই স্থানীয় ইউপি মেম্বার উদ্যোগ নিয়েছেন সেটা মিটিমাট করে দেবার।

বিজ্ঞাপন

তার সেই উদ্যোগের সাথে কয়েকজন একমত না হয়ে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর কাজে লিপ্ত হয়ে যায়।  পত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগ কারীদের অনেকেই এই স্কুলের ছাত্র অভিভাবকই নন। যে দুই/ তিন জন অভিভাবক ছিলেন তারা সবাই তাদের সন্তানের টাকা সঠিকভাবে বুঝে পেয়েছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।

এখানে প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা সকল সুবিধাভোগীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে কে কতো টাকা পেয়েছে সে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।  তাতে অভিযোগকারীগণও টাকা বুঝে পেয়েছেন বলে জানা যায়। এক্ষেত্রে কারো কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান।

অন্যদিকে এই ঘটনার পেছনে স্কুলের এক/ দুইজন শিক্ষক কয়েকজন অভিভাবককে  উস্কে দিয়ে এই গুজব ছড়িছেন বলেও এলাকাবাসি জানান। ওই গ্রামে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে মূল বিভক্তি চলে আসছে অনেক আগে থেকেই।
আরও পড়ুন: করোনার টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের-শেখ হাসিনা