ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১৮ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ




পোগলদিঘা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান সামস উদ্দিন (সামস)

মোঃ রাকিবুল ইসলাম, সরিষাবাড়ি প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত : ১১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১ ৩৪০ বার পঠিত
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ রাকিবুল ইসলাম, সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি:  জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউপির চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন সমাজসেবক সামস উদ্দিন। বুধবার উপজেলা নির্বাচন ও রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দেন তিনি। এ সময় তার সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সামস উদ্দিন বলেন, ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি অতি চেনা মুখ। কারণ আমি ইউনিয়নের জনগণের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকার চেষ্টা করি। এলাকায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। তাই তাদের চাহিদার ভিত্তিতে আজ আমি পোগলদিঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছি।

সাবেক চেয়ারম্যান সামস বলেন, সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি শতভাগ আশাবাদী ইউনিয়নের জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে সরিষাবাড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

এ বিষয়ে সামস উদ্দিন আরও বলেন, উপজেলার সবচেয়ে বৃহৎ ইউনিয়ন এটি । ৯.৮৮৩বর্গমাইল আয়তনের এ ইউনিয়নের ৩০টি গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার জনগণ রয়েছে।

এ ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার। সবচেয়ে বৃহৎ ও বেশি জনসংখ্যার এ ইউনিয়নটি আমি চতুর্থ বারের মতো দায়ীত্ব পালন করছি। আমি ১৯৭৩ সালে ইস্রাইল আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক এবং ১৯৭৫ সালে সরিষাবাড়ী কলেজ থেকে আইএ পাস করি। ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি ছিলো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

৭৫-এ বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারে হত্যার পর দেশের মানুষ আ.লীগ এর নাম নিতে ভয় পেতো। তখনো আমি সকলের সাথে সক্ষ্যতা তৈরি করে ধারাবাহীক ভাবে আ:লীগের রাজনৈতিক কাজের সাথে চলমান থাকি। যার ধারাবাহীকতায় ১৯৮৩ সালে হত্যা মামলার হুকুম দাতা হিসাবে ১নং আসামী হই।

১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কমিটি গঠন ও দলকে গতিশীল করতে অগ্রনী ভুমিকা রাখি এবং আমার মেধা,শ্রম ও অর্থদিয়ে সহযোগিতা করি। যার ফলে ইউনিয়ন কমিটিতে মাওলানা নূরুল ইসলাম (পরবর্তীতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী) সম্মানীত এক নং সদস্য ও আমি দুই নং সদস্য হই।

১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে মাওলানা নূরুল ইসলাম আ.লীগের মনোনয়ন পান আমি সেই নির্বাচনে প্রথম সারির একজন কর্মী হিসাবে কাজ করি। যার সুবাদে ৯৬ আ.লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পরে ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগের সমর্থনে




ফেসবুকে আমরা







x

পোগলদিঘা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান সামস উদ্দিন (সামস)

প্রকাশিত : ১১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১
print news

মোঃ রাকিবুল ইসলাম, সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি:  জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউপির চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন সমাজসেবক সামস উদ্দিন। বুধবার উপজেলা নির্বাচন ও রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দেন তিনি। এ সময় তার সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সামস উদ্দিন বলেন, ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি অতি চেনা মুখ। কারণ আমি ইউনিয়নের জনগণের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকার চেষ্টা করি। এলাকায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। তাই তাদের চাহিদার ভিত্তিতে আজ আমি পোগলদিঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছি।

সাবেক চেয়ারম্যান সামস বলেন, সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি শতভাগ আশাবাদী ইউনিয়নের জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে সরিষাবাড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

এ বিষয়ে সামস উদ্দিন আরও বলেন, উপজেলার সবচেয়ে বৃহৎ ইউনিয়ন এটি । ৯.৮৮৩বর্গমাইল আয়তনের এ ইউনিয়নের ৩০টি গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার জনগণ রয়েছে।

এ ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার। সবচেয়ে বৃহৎ ও বেশি জনসংখ্যার এ ইউনিয়নটি আমি চতুর্থ বারের মতো দায়ীত্ব পালন করছি। আমি ১৯৭৩ সালে ইস্রাইল আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক এবং ১৯৭৫ সালে সরিষাবাড়ী কলেজ থেকে আইএ পাস করি। ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি ছিলো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

৭৫-এ বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারে হত্যার পর দেশের মানুষ আ.লীগ এর নাম নিতে ভয় পেতো। তখনো আমি সকলের সাথে সক্ষ্যতা তৈরি করে ধারাবাহীক ভাবে আ:লীগের রাজনৈতিক কাজের সাথে চলমান থাকি। যার ধারাবাহীকতায় ১৯৮৩ সালে হত্যা মামলার হুকুম দাতা হিসাবে ১নং আসামী হই।

১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কমিটি গঠন ও দলকে গতিশীল করতে অগ্রনী ভুমিকা রাখি এবং আমার মেধা,শ্রম ও অর্থদিয়ে সহযোগিতা করি। যার ফলে ইউনিয়ন কমিটিতে মাওলানা নূরুল ইসলাম (পরবর্তীতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী) সম্মানীত এক নং সদস্য ও আমি দুই নং সদস্য হই।

১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে মাওলানা নূরুল ইসলাম আ.লীগের মনোনয়ন পান আমি সেই নির্বাচনে প্রথম সারির একজন কর্মী হিসাবে কাজ করি। যার সুবাদে ৯৬ আ.লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পরে ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগের সমর্থনে