ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ




দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধির কারণে নাভিশ্বাসে গ্রামের মানুষ

মোঃ সুরুজ্জামান, ভূঞাপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : ০৬:২৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০ ৯০৭ বার পঠিত
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ সুরুজ্জামান, ভূঞাপুর প্রতিনিধিঃ  টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের নিকলা বাজারে সারা দেশের বাজার পরিস্থিতির মতো দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। নাভিশ্বাসে  সাধারণ মানুষ। এখানে এক কেজি পেঁয়াজ ৮০-৯০ টাকা, মুখি এক কেজি ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০- ২২০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে, তেল ৮০-১০০ কেজি, চাউল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি। অন্যন্যা শাকসবজিরাম তুলনামূলকভাবে বেড়ে গেছে। এতে দিন মজুর, শ্রমিক ও অন্যন্যা নিম্ন আয়ের মানুষ খুব কষ্টে জীবন যাপন করতেছে।

এক কৃষক বলেন, বন্যার কারণে এমন অব্স্থায় হয়েছে। অনেক শাকসবজি ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে যার ফলে চাহিদার তুলনায় যোগান কম, এজন্য দাম বেশি। পানি শুকালে চাষবাস শুরু করলে আপাতত দেড়/দুই মাস পর শাকসবজিরাম কমবে।

এদিকে এক ভ্যানচালক বলেন,‘ কি কমু স্যার, আমরা না পারছি বাঁইচা থাকতে না পারছি মরতে। দিনে ১০০-১৫০/- টাকা কামাই করি। এই টাকায় সংসার চলে না। বাজার ই করমু না পোলাইপানের খরচ মিটামু, নিজের ও গাড়ির খরচ ও আছে। এদিকে কিস্তির টাকা দেওন লাগে। করনা ও বন্যার কারণে আমরা নিম্ন আয়ের গরিব অসচ্ছল মানুষ খুবি কঠিন অবস্থায় আছি।’

বিজ্ঞাপন

এক্ষেত্রে, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম শিথীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও শাকসবজির উৎপাদন বৃদ্ধির পরামর্শ বিশিষ্টজনদের।




ফেসবুকে আমরা







x

দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধির কারণে নাভিশ্বাসে গ্রামের মানুষ

প্রকাশিত : ০৬:২৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০
print news

মোঃ সুরুজ্জামান, ভূঞাপুর প্রতিনিধিঃ  টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের নিকলা বাজারে সারা দেশের বাজার পরিস্থিতির মতো দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। নাভিশ্বাসে  সাধারণ মানুষ। এখানে এক কেজি পেঁয়াজ ৮০-৯০ টাকা, মুখি এক কেজি ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০- ২২০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে, তেল ৮০-১০০ কেজি, চাউল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি। অন্যন্যা শাকসবজিরাম তুলনামূলকভাবে বেড়ে গেছে। এতে দিন মজুর, শ্রমিক ও অন্যন্যা নিম্ন আয়ের মানুষ খুব কষ্টে জীবন যাপন করতেছে।

এক কৃষক বলেন, বন্যার কারণে এমন অব্স্থায় হয়েছে। অনেক শাকসবজি ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে যার ফলে চাহিদার তুলনায় যোগান কম, এজন্য দাম বেশি। পানি শুকালে চাষবাস শুরু করলে আপাতত দেড়/দুই মাস পর শাকসবজিরাম কমবে।

এদিকে এক ভ্যানচালক বলেন,‘ কি কমু স্যার, আমরা না পারছি বাঁইচা থাকতে না পারছি মরতে। দিনে ১০০-১৫০/- টাকা কামাই করি। এই টাকায় সংসার চলে না। বাজার ই করমু না পোলাইপানের খরচ মিটামু, নিজের ও গাড়ির খরচ ও আছে। এদিকে কিস্তির টাকা দেওন লাগে। করনা ও বন্যার কারণে আমরা নিম্ন আয়ের গরিব অসচ্ছল মানুষ খুবি কঠিন অবস্থায় আছি।’

বিজ্ঞাপন

এক্ষেত্রে, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম শিথীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও শাকসবজির উৎপাদন বৃদ্ধির পরামর্শ বিশিষ্টজনদের।