ঢাকাশনিবার , ২৫ ডিসেম্বর ২০২১

‘তুর্কোভ্যাক’ টিকা ব্যবহার হবে মানবতার কল্যাণে

কালের ধারা ২৪
ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

‘তুর্কোভ্যাক’ টিকা ব্যবহার হবে মানবতার কল্যাণে

বর্তমান সময়ের করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করোনা টিকাকে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বুধবার তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেটিন কোকা তার দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে ‘তুর্কোভ্যাক’ নামের এ টিকার অনুমোদন দেন। এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান শপথ করে বলেছেন, সমগ্র বিশ্ব ও মানবতার কল্যাণে ব্যবহার করা হবে তুরস্কের এ টিকা।

‘তুর্কোভ্যাক’ টিকার অনুমোদনের বিষয়ে তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেটিন কোকা বলেন, আজ থেকে আমরা ওই ৯ দেশের অন্তর্ভুক্ত হলাম, যারা করোনার টিকা উৎপাদন করে। তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এ ‘তুর্কোভ্যাক’ টিকা আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাপক পরিসরে ব্যবহার করা হবে। তুরস্ক তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে করোনার টিকা প্রস্তুতের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান শপথ করে বলেন, তুরস্ক সমগ্র বিশ্বের জন্য তাদের টিকা সহজলভ্য করবে। মানবতার কল্যাণে ব্যবহার করা হবে তুরস্কের এ টিকা।

এরদোগান আরো বলেন, ‘তুর্কোভ্যাক’ হলো আমাদের (তুরস্কের) করোনার টিকা। করোনার এ টিকা এখন উৎপাদন ও ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। সমগ্র জাতিকে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এটা আমাদের যৌথ প্রচেষ্টার প্রতীক। অপর এক খবরে বলা হয়, সিরিয়ার উপর ইহুদিবাদী ইসরাইল বেসামরিক বিমানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যে হামলা চালিয়ে আসছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান, রাশিয়া এবং তুরস্ক। আস্তানা শান্তি প্রক্রিয়ায় এই তিন দেশ হচ্ছে গ্যারান্টার। আস্তানা শান্তি প্রক্রিয়ার ১৭তম বৈঠক শেষে তিন দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে সিরিয়ার ওপর ইহুদিবাদী ইসরাইলের অব্যাহত হামলার নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে সিরিয়ার ওপরে এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। সিরিয়ায় ইসরাইলি আগ্রাসন অবসানের আহ্বান জানিয়েছে এই তিন দেশ। একই সঙ্গে তারা বলেছে, ইসরাইলি আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লংঘন। ইসরাইলি হামলার কারণে সিরিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের জীবন চরম হুমকির মুখে পড়ছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার কাজাখস্তানের রাজধানী নূর সুলতানে দুদিনব্যাপী আস্তানা শান্তি প্রক্রিয়ার বৈঠক শুরু হয়। এতে ইরান, তুরস্ক ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরা ছাড়াও সিরিয়ার সরকার এবং বিরোধী প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ২০১১ সালে বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা সিরিয়ায় সহিংসতা শুরু করে। এরপর থেকে প্রায় নিয়মিত ইহুদিবাদী ইসরাইল সিরিয়ার ওপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইলের পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি হওয়া দায়েশ সন্ত্রাসীদের পতনের মুখে তাদের মনোবল ধরে রাখার জন্য ইসরাইল সিরিয়ার ওপর হামলা চালাচ্ছে। আনাদোলু এজেন্সি, ইয়েনি শাফাক, আরটি।