ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১৮ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ




ঝালকাঠির  সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি অতি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান

মোঃ তপু মাঝি, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত : ০৯:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই ২০২২ ১১৮ বার পঠিত
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ঝালকাঠির  সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি অতি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির একমাত্র ইকোপার্ক রক্ষা করার দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রধান করেন ধানসিড়ি ইকোপার্ক রক্ষা এবং খাল-নদী ও পরিবেশ বাচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক এনজিও ব্যক্তিত্ব ফরহাদ হোসেন সদস্য সচিব সদর উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান মঈন তালুকদার, মুহাঃ আল-আমিন বাকলাই,হাসান মাহমুদ।

যুগ্মআহবায়ক এড. সাংবাদিক আককাস সিকদার  কমিটির সদস্য ধানসিড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মাসুম, কেওড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান,সোয়েবুর মোর্শেদ সোহেল, সাংবাদিক দুলাল সাহা, জেলা কমিউনিষ্ট পাট্টির সভাপতি, খসরু নোমান সাবেক পৌর কাউন্সিলর নাছিমা কামাল প্রমুখ।

স্বারকলিপি তে উল্লেখ করা হয় ঝালকাঠি জেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র, ৮৮.৩৬ (আটাশি দশমিক তিন ছয়) একনা জমির উপর গে বড় মাঠ, সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি আমরা পিকনিক স্পট, আনন্দমেলা, তাবলিগ এস্তেমা, বৈকালিক ভ্রমন, বৈশাখী মেলাসহ বিভিন্ন ভাবে ব্যাবহার করে আসছি। জেলাবাসী তথা উপকূল বাসীর বিনোদনের জন্য কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতিধণ্য ধানসিঁড়ি নদী, বাংলাদেশ চীন মৈত্রী (গাবখান সেতু সুগন্ধা-বিষখালী, নদীর মোহনায় যোগে ওঠা প্রাকৃতিক চরটি রক্ষা করা এবং এটি রাষ্ট্রের ও জনগণের সম্পত্তি হিসেবে সকল মানুষের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করা ঝালকাঠি বাসীর প্রাণের দাবী। ২০০৪ সালে এই পার্ক টি একনেক এর সভায় অনুমোদিত হয়। ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে ৪ (চার) কোটি টাকা সরকারী বরাদ্দ জেলায় পাঠানো হয়। ইকো পার্কটিতে সরকার কর্তৃক বারাদ্দ ৬২ লক্ষ টাকা দিয়ে বলি ভরাট করা হয়। উপকূলীয় বনায়ন প্রকল্প কর্তৃক ৪২ (বিয়াল্লিশ) লক্ষ টাকার বৃক্ষ রোপন করা হয়। জেলা প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত উক্ত পাকটি রক্ষা করা দরকার। এটি এখন ঝালকাঠিবাসীর প্রাণের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ জনপদের পরিবেশ সুরক্ষা জীব-বৈচিত্র রক্ষা, বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ সহ পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে এটি ব্যবহার করা যাবে। কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। জেলার ঐতিহ্য সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। সরকার ঘোষিত উক্ত ইকোপার্কটি সম্প্রতি  মো: মনিরুল ইসলাম তালুকদার, পিতা: মোঃ লিয়াকত আলী তালুকদার (মেয়র, ঝালকাঠি পৌরসভা) কর্তৃক দখল করার পায়তারা চলছে। যা ইতোমধ্যে আদালত পর্যন্ত গড়িয়ে সরকার তথ্য জনগণের মালিকানা প্রশ্নের সম্মুখিন হওয়ার উপক্রম হয়েছে যা ঝালকাঠিবাসী কোন ক্রমেই মেনে নিবে না।

বিজ্ঞাপন

ইতোমধ্যে ঝালকাঠিতে গত ২৫/০৭/২০২২ তারিখ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবি ও রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিগণ ইকোপার্ক বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও পথসভা করেছে- যা বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় ও সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে (সংযুক্তি দ্রষ্টব্য)। বর্তমানে চলমান ইকোপার্কের সমর্থনে গৃহীত গণস্বাক্ষরে ঝালকাঠিবাসীর ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

ইকোপার্ক রক্ষাকারী কমিটির দাবী ১)ঝালকাঠিতে সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি অতি দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

২) দুষ্টচক্রের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ইকোপার্কে সরকারের তথা জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা হোক। ঝালকাঠির খাল নদীসমূহ দূষণ ও দখল মুক্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়।




ফেসবুকে আমরা







x

ঝালকাঠির  সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি অতি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত : ০৯:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই ২০২২
print news

ঝালকাঠির  সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি অতি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির একমাত্র ইকোপার্ক রক্ষা করার দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রধান করেন ধানসিড়ি ইকোপার্ক রক্ষা এবং খাল-নদী ও পরিবেশ বাচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক এনজিও ব্যক্তিত্ব ফরহাদ হোসেন সদস্য সচিব সদর উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান মঈন তালুকদার, মুহাঃ আল-আমিন বাকলাই,হাসান মাহমুদ।

যুগ্মআহবায়ক এড. সাংবাদিক আককাস সিকদার  কমিটির সদস্য ধানসিড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মাসুম, কেওড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান,সোয়েবুর মোর্শেদ সোহেল, সাংবাদিক দুলাল সাহা, জেলা কমিউনিষ্ট পাট্টির সভাপতি, খসরু নোমান সাবেক পৌর কাউন্সিলর নাছিমা কামাল প্রমুখ।

স্বারকলিপি তে উল্লেখ করা হয় ঝালকাঠি জেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র, ৮৮.৩৬ (আটাশি দশমিক তিন ছয়) একনা জমির উপর গে বড় মাঠ, সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি আমরা পিকনিক স্পট, আনন্দমেলা, তাবলিগ এস্তেমা, বৈকালিক ভ্রমন, বৈশাখী মেলাসহ বিভিন্ন ভাবে ব্যাবহার করে আসছি। জেলাবাসী তথা উপকূল বাসীর বিনোদনের জন্য কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতিধণ্য ধানসিঁড়ি নদী, বাংলাদেশ চীন মৈত্রী (গাবখান সেতু সুগন্ধা-বিষখালী, নদীর মোহনায় যোগে ওঠা প্রাকৃতিক চরটি রক্ষা করা এবং এটি রাষ্ট্রের ও জনগণের সম্পত্তি হিসেবে সকল মানুষের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করা ঝালকাঠি বাসীর প্রাণের দাবী। ২০০৪ সালে এই পার্ক টি একনেক এর সভায় অনুমোদিত হয়। ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে ৪ (চার) কোটি টাকা সরকারী বরাদ্দ জেলায় পাঠানো হয়। ইকো পার্কটিতে সরকার কর্তৃক বারাদ্দ ৬২ লক্ষ টাকা দিয়ে বলি ভরাট করা হয়। উপকূলীয় বনায়ন প্রকল্প কর্তৃক ৪২ (বিয়াল্লিশ) লক্ষ টাকার বৃক্ষ রোপন করা হয়। জেলা প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত উক্ত পাকটি রক্ষা করা দরকার। এটি এখন ঝালকাঠিবাসীর প্রাণের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ জনপদের পরিবেশ সুরক্ষা জীব-বৈচিত্র রক্ষা, বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ সহ পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে এটি ব্যবহার করা যাবে। কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। জেলার ঐতিহ্য সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। সরকার ঘোষিত উক্ত ইকোপার্কটি সম্প্রতি  মো: মনিরুল ইসলাম তালুকদার, পিতা: মোঃ লিয়াকত আলী তালুকদার (মেয়র, ঝালকাঠি পৌরসভা) কর্তৃক দখল করার পায়তারা চলছে। যা ইতোমধ্যে আদালত পর্যন্ত গড়িয়ে সরকার তথ্য জনগণের মালিকানা প্রশ্নের সম্মুখিন হওয়ার উপক্রম হয়েছে যা ঝালকাঠিবাসী কোন ক্রমেই মেনে নিবে না।

বিজ্ঞাপন

ইতোমধ্যে ঝালকাঠিতে গত ২৫/০৭/২০২২ তারিখ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবি ও রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিগণ ইকোপার্ক বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও পথসভা করেছে- যা বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় ও সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে (সংযুক্তি দ্রষ্টব্য)। বর্তমানে চলমান ইকোপার্কের সমর্থনে গৃহীত গণস্বাক্ষরে ঝালকাঠিবাসীর ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

ইকোপার্ক রক্ষাকারী কমিটির দাবী ১)ঝালকাঠিতে সরকার ঘোষিত ইকোপার্কটি অতি দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

২) দুষ্টচক্রের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ইকোপার্কে সরকারের তথা জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা হোক। ঝালকাঠির খাল নদীসমূহ দূষণ ও দখল মুক্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়।