ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ




করোনা প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে জরুরি সভায় ১২টি প্রস্তাব

কালের ধারা ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ০৯:২৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মার্চ ২০২১ ৫৩৩ বার পঠিত
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফের লকডাউনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

১৬ মার্চ (মঙ্গলবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মিনি কনফারেন্স রূমে মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় ১২টি প্রস্তাব পেশ করা হয়।

প্রস্তাবগুলি হলো:

বিজ্ঞাপন

১. সম্ভব হলে কমপ্লিট লকডাউনে যেতে হবে।সম্ভব না হলে ইকোনমিক ব্যালান্স রেখে যেকোনো জনসমাগম বন্ধ করতে হবে।

২. কাঁচা কাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিংমল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, পবিত্র রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেগুলো বন্ধ আছে সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে।অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত রাখতে হবে।

৪. যেকোন পাবলিক পরীক্ষা(বিসিএস, এসএসসি, এইচএসসি, মাদ্রাসা, দাখিলসহ অন্যান্য) বন্ধ রাখতে হবে।

৫. কোভিড পজিটিভ রোগীদের আইসোলেশন জোরদার করা।

৬. যারা রোগীদের কন্ট্রাকে আসবে তাদের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখা।

৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখা এবং এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেওয়া।

৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে  আনা।

৯. স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন প্রয়োজনে জোরদার করা।

১০. পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল বাড়ানো, মনিটরিং জোরদার করা।

১১. সব ধরনের সভ ভার্চুয়াল করা এবং

১২. পর্যটন এলাকায় চলাচল সীমিত করা।

সূত্র: গণমাধ্যম।




ফেসবুকে আমরা







x

করোনা প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে জরুরি সভায় ১২টি প্রস্তাব

প্রকাশিত : ০৯:২৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মার্চ ২০২১
print news

অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফের লকডাউনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

১৬ মার্চ (মঙ্গলবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মিনি কনফারেন্স রূমে মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় ১২টি প্রস্তাব পেশ করা হয়।

প্রস্তাবগুলি হলো:

বিজ্ঞাপন

১. সম্ভব হলে কমপ্লিট লকডাউনে যেতে হবে।সম্ভব না হলে ইকোনমিক ব্যালান্স রেখে যেকোনো জনসমাগম বন্ধ করতে হবে।

২. কাঁচা কাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিংমল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, পবিত্র রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেগুলো বন্ধ আছে সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে।অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত রাখতে হবে।

৪. যেকোন পাবলিক পরীক্ষা(বিসিএস, এসএসসি, এইচএসসি, মাদ্রাসা, দাখিলসহ অন্যান্য) বন্ধ রাখতে হবে।

৫. কোভিড পজিটিভ রোগীদের আইসোলেশন জোরদার করা।

৬. যারা রোগীদের কন্ট্রাকে আসবে তাদের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখা।

৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখা এবং এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেওয়া।

৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে  আনা।

৯. স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন প্রয়োজনে জোরদার করা।

১০. পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল বাড়ানো, মনিটরিং জোরদার করা।

১১. সব ধরনের সভ ভার্চুয়াল করা এবং

১২. পর্যটন এলাকায় চলাচল সীমিত করা।

সূত্র: গণমাধ্যম।