1. [email protected] : admin :
অন্যের অর্জনকে যারা হিংসা চোখে দেখে, তারা ব্যক্তিত্ববান মানুষ নয় | কালের ধারা ২৪
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১২:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বিষয়ক মন্ত্রনালয় চেয়ে সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর ভাঙ্গন রোধে ও সংরক্ষনে ৮ টি প্রকল্প এর জায়গা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব জাহিদ ফারুক এম.পি আগামী বছর ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ করোনা ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ এসবিএসি ব্যাংক লিমিটেডকে পুঁজিবাজারে আসার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশে ব্যাংক জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুজাতা হাসপাতালে ভর্তি শীত শেষে স্কুল খুললেও পুরোপুরি ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়তো করা যাবে না-ডা. দীপু মনি ঘূর্ণিঝড় ‘নিভার’ বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা নেই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাবি’র ভর্তি পরীক্ষা হবে বিভাগীয় শহরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর তারাকান্দি জেলা মহাসড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন মর্ডানার করোনা টিকার দাম নির্ধারণ


অন্যের অর্জনকে যারা হিংসা চোখে দেখে, তারা ব্যক্তিত্ববান মানুষ নয়

শেখ শাকিল
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৭৬ বার পঠিত
অন্যের অর্জনকে যারা হিংসা চোখে দেখে, তারা ব্যক্তিত্ববান মানুষ নয়
নিউজটি শেয়ার করুন:
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

অন্যের অর্জনকে যারা হিংসা চোখে দেখে, তারা ব্যক্তিত্ববান মানুষ নয়

হিংসুক ব্যক্তি সমাজের অন্যান্য সন্মানিত ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্বকে হেয় করার চেষ্টা করে। হিংসুক ব্যক্তি সবসময় সব জিনিসের অধিকারী হতে চায়। তাদের সর্বদা এই চেষ্টাই থাকে যে, অন্যের কাছে যা আছে তারচেয়ে তার জিনিসটা ভালো হওয়া দরকার। সমাজের আর অন্য সবার সাথে বসবাস করলেও হিংসুক ব্যক্তি মানুষের মনে কোনো স্থান করে নিতে পারে না।

হিংসুককে কেউ ভালো দৃষ্টিতে দেখে না। সবার মাঝে তার প্রতি একটা খারাপ ধারনা জন্ম নেয়- তার কর্মকাণ্ডের কারণে। অন্যের অর্জনকে যারা মেনে নিতে পারে না, তাদের জীবন কখনোই সুখের হয় না।তাই আমি ক্ষুদ্র কলাম লেখক- কবির নেওয়াজ রাজ বলছি অপরের কৃতিত্বের জন্য প্রশংসা করতে শিখুন। তাদের অর্জনকে হিংসা করতে যাবেন না। মানুষ হিসেবে যে সম্মানটা আপনি অন্যদের কাছ হতে আশা করেন, ঠিক তেমনই অন্যদেরকে সম্মান দিতে শিখুন। বড়দের করুন শ্রদ্ধা আর ছোটদের দিন স্নেহ ভালবাসা ।

অন্যকে কৃতিত্বের স্বীকৃতি দিতে পারলেই কেবল একজন সঠিক ব্যক্তিত্ববান মানুষ হওয়া যায়।আমাদের সমাজে নানা কারণে এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি হিংসা প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু আমাদের নবী করিম (সা:) বলেছেন, ‘তোমরা অন্যের প্রতি মন্দ ধারণা পোষণ করা থেকে বিরত থাকবে, কেননা এরূপ ধারণা জঘন্যতম মিথ্যা।

আর কারও দোষ অনুসন্ধান করবে না, কারও গোপনীয় বিষয় অন্বেষণ করবে না, একে অন্যকে ধোঁকা দেবে না, পরস্পর হিংসা করবে না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষ মনোভাব পোষণ করবে না, পরস্পর বিরুদ্ধাচরণ করবে না। মহান আল্লাহ তাআলা  তাঁর কোনো বান্দাকে ধন-দৌলত দান করেছেন, কাউকে স্বাস্থ্য দান করেছেন, কাউকে সুখ্যাতি দান করেছেন, কাউকে সম্মান দান করেছেন, কাউকে নেতৃত্ব দান করেছেন, আবার কাউকে দান করেছেন জ্ঞান।

যারা  হিংসুক তাদের  মনে এ খেয়াল জন্মায় যে  নিয়ামত কেন তার অর্জিত হলো? যদি তার থেকে এই নিয়ামত চলে যেত, তাহলে ভালো হতো! তাই অন্যের বিপদে সে খুশি হয়, আর যদি অন্যের ভালো কিছু অর্জিত হয়, তাহলে সে অন্তরে ব্যথা পায়। সে আফসোস করতে থাকে, কেন ওই ব্যক্তি আমার চেয়ে বড় হয়ে গেল, উন্নতি লাভ করল!

এমন মানসিকতার নাম হিংসা।খুব কমসংখ্যক ব্যক্তিই এ ব্যাধি থেকে বাঁচতে পারে। একজন মানুষের কর্তব্য হ’ল সর্বদা সাদা মনের অধিকারী থাকা। তার অন্তরে যেন কারু প্রতি হিংসার কালিমা না থাকে। যদি কোন কারণ বশত সেটা কখনো এসেই যায়, তবে  কচুর পাতার পানির মত যেন তা ঝরে যায়। হৃদয় যেন সকলের প্রতি উদার থাকে এবং শত্রু-মিত্র সকলের প্রতি হেদায়াতের আকাংখী থাকে।

এমন অবস্থায় নিদ্রা যাবে, যেন তার হৃদয়ের কোণে কারো প্রতি হিংসার কালো মেঘ জমে না থাকে। কেননা এই নিদ্রা তার চিরনিদ্রা হ’তে পারে। হিংসা ও বিদ্বেষ হ’ল অন্তরের বিষয়। কিন্তু তার বিষফল হিসাবে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত ও সম্পর্কচ্ছেদ ইত্যাদি হ’ল কর্মের বিষয়। তাই অন্তর বিদ্বেষমুক্ত না হ’লে কর্ম অন্যায়মুক্ত হয় না। ভালো মানুষের  প্রতি হিংসার ইতিহাস চিরন্তন।  হিংসুকরা নিজেদের হিংসা গোপন করার জন্য ভালো মানুষের  বিরুদ্ধে নানাবিধ মিথ্যা রটনা করে।

হিংসুক ব্যক্তি তার চাকচিক্যপূর্ণ কথা ও আকর্ষণীয় যুক্তির মাধ্যমে সত্যকে মিথ্যা বলে ও মিথ্যাকে সত্য বলে।হিংসুক ব্যক্তির অন্তর সদা সংকুচিত থাকে। তারই মত হিংসুক তার বন্ধু হয়। ফলে সৎ সংসর্গ থেকে সে বঞ্চিত হয়। ঘুণ পোকা যেমন কাঁচা বাঁশকে ভিতর থেকে কুরে কুরে খায়, হিংসুক ব্যক্তির অন্তর তেমনি হিংসার আগুন কুরে কুরে খায়। এক সময় সে ধ্বংস হয়ে যায়, যেমন ঘুণে ধরা বাঁশ হঠাৎ ভেঙ্গে পড়ে যায়। এভাবে দুনিয়ায় সে এসি ঘরে শুয়ে থেকে হিংসার আগুনে জ্বলে-পুড়ে মরে।

হিংসুক ও বিদ্বেষী মানুষ কোন অবস্থায় শান্তি পায় না। তার কোন সৎ বন্ধু জোটে না। সে কখনোই সুপথপ্রাপ্ত হয় না। তার হৃদয়-মন থাকে সর্বদা জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ডের মত। যেখান থেকে সর্বদা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র, ধোঁকা ও মিথ্যাচারের দুর্গন্ধযুক্ত স্ফুলিঙ্গ সমূহ বের হয়। সে সর্বদা নিজেকে বিজয়ী ভাবে।

অথচ সেই-ই সবচেয়ে পরাজিত। সে নিজেকে বীর ভাবে, অথচ সেই-ই সবচেয়ে ভীরু।কথায় বলে , তুমি কখনো তাদের ঘৃণা করোনা যারা তোমাকে হিংসা করে। বরং তাদের হিংসাকে সম্মান কর। কারণ তারাই সেই মানুষ, যারা বিশ্বাস করে তুমি তাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। হিংসুক ব্যক্তি অন্যের ভালো কিছু সহ্য করতে পারে না, কাউকে কোনো উন্নতি বা ক্ষমতায় অভিষিক্ত দেখলে অন্তরে জ্বালা অনুভব করে। মহান আল্লাহ্ তাআলা আমাদের সকলকে পারস্পরিক হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে রক্ষা করুন এবং হেদায়েত দান করুন।

কলামিষ্ট কবির নেওয়াজ রাজ

এমএসএস “রাষ্ট্রবিজ্ঞান

সিসি “জার্নালিজম

এলএলবি “এফই

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন:
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

প্রিয় পাঠক, আপনিও “কালের ধারা ২৪” অনলাইনের অংশ হয়ে উঠতে পারেন।স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, নারী, সাহিত্য, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- [email protected] – এ ঠিকানায়।লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।


এ জাতীয় আরও খবর

 

এই সাইটে নিজস্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি। @কালের ধারা ২৪

 


ফেসবুকে আমরা

নামাজের সময়সূচি:

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৫:১১ পূর্বাহ্ণ
  • দুপুর ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
  • বিকাল ১৫:৪১ অপরাহ্ণ
  • সন্ধ্যা ১৭:২০ অপরাহ্ণ
  • রাত ১৮:৩৭ অপরাহ্ণ
  • ভোর ৬:২৬ পূর্বাহ্ণ



© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ কালের ধারা ২৪
কারিগরি কালের ধারা ২৪